শিপন বলেন, উত্ত্যক্ত করার মতো কোনো ঘটনা নেই। ওই তরুণীর সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক। মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা এ সম্পর্ক মেনে নিতে পারছিলেন না। এ জন্য কয়েক দিন আগে উল্টো ওই তরুণীর পরিবারের লোকজন তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

ওই ছাত্রীর পরিবার জানায়, বিদ্যালয়ে আসা–যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে শিপন উত্ত্যক্ত করতেন। সম্প্রতি উত্ত্যক্তের মাত্রা বেড়ে গেলে ওই ছাত্রী বিষয়টি তাঁর পরিবারকে জানায়। পরে ওই ছাত্রীর পরিবার বিষয়টি স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিদের নজরে এনে প্রতিকার চান। বিষয়টি জানতে পেরে শিপন ক্ষিপ্ত হয়ে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওই ছাত্রীর বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় ওই ছাত্রীর ভাইদের কুপিয়ে আহত করা হয়।

ছাত্রীর বাবা বলেন, ‘শিপনের কারণে এখন আমার মেয়ে স্কুলে আসা–যাওয়া কমিয়ে দিয়েছে। দিন দিন পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছিল। বাধ্য হয়ে প্রতিকার চেয়েছি। এ চাওয়াই কাল হলো।’

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, দুই পক্ষই থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে। এর মধ্যে ওই ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগটি মামলা হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। আরেকটি অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন