স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোহান একসময় স্থানীয় একটি পত্রিকায় কাজ করতেন। বর্তমানে এনজিও কর্মী। আশিকুর কুষ্টিয়া পৌর বাজারে মাছের আড়তে কাজ করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাংবাদিক হাসিবুর রহমান হত্যা মামলার আসামিদের ধরতে র‍্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‍্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের একটি দল শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে চারটার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় অভিযানে যায়। এ সময় সোহান ও আশিকুরকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁদের কাছ থেকে হাসিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা তদন্তকাজে সহায়ক হবে। ওই দুজনকে মামলার তদন্তকারী সংস্থা নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

হাসিবুর রহমান কুষ্টিয়া জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, স্থানীয় দৈনিক কুষ্টিয়ার খবর পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের নতুন সময় পত্রিকার কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি ছিলেন। পাশাপাশি ঠিকাদারি করতেন হাসিবুর। তিনি কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এ ব্লক এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে।

৩ জুলাই রাত নয়টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের সিঙ্গার মোড়ে পত্রিকা অফিসে ছিলেন হাসিবুর রহমান। তখন মুঠোফোনে একটি কল পেয়ে অফিস থেকে বের হয়ে যান। এর পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। তাঁর মুঠোফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। এ ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করে তাঁর পরিবার।

এর চার দিন পর ৭ জুলাই দুপুরে কুমারখালী পৌরসভার তেবাড়িয়া এলাকায় নির্মাণাধীন গোলাম কিবরিয়া সেতুর নিচে গড়াই নদ থেকে হাসিবুরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ৮ জুলাই রাতে হাসিবুর রহমানের চাচা মিজানুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কুমারখালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

হাসিবুর রহমানের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন কুষ্টিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকেরা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন