সমাবেশে ছাত্রদল নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতা আবু আহাম্মদ মান্নাফী যদি তাঁর ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য প্রত্যাহার না করেন, দেশবাসী ও তারেক রহমানের কাছে ক্ষমা না চান; তাহলে ছাত্রদল রাজপথে এর জবাব দেবে।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুল আলম, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হ‌ুমায়ূন কবির, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সোহেল বারী প্রমুখ। এ সময় মহানগর ও জেলা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে এই মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। পরে পুলিশের বাধায় ছাত্রদলের ওই বিক্ষোভ মিছিল পণ্ড হয়ে যায়।

সমাবেশ শেষে দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে অশ্বিনীকুমার হলের গেটে পৌঁছালে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ সময় ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা বাধা ডিঙিয়ে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা পিছু হটে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন।

মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, ‘বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পুলিশের কারণে আমরা বের হতে পারিনি। পরে কর্মসূচি দলীয় কার্যালয়ে শেষ করেছি।’

বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক লোকমান হোসেন বলেন, জনভোগান্তি এড়াতে মিছিল মূল সড়কে উঠতে দেওয়া হয়নি।

ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেন, গতকাল রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের এক সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু আহাম্মদ মান্নাফী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করেন। তাঁকে কোনো দিন দেশে আসতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেন। কটূক্তির প্রতিবাদে ছাত্রদল আজ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা, মহানগর ও জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন