ওসি আবদুর রহিম বলেন, আজ সকালে কর্ণফুলী সেতুর নিচে নৌকা থেকে নুরুল ইসলামকে তুলে দেওয়া হয় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায়। দুজন ব্যক্তি মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে নিয়ে তাঁর চাঁদগাঁওয়ের বাসায় যান। নুরুল ইসলাম অসুস্থ হয়েছেন বলে তাঁর স্ত্রীকে জানান। পরে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য রওনা হন। কিন্তু তাঁদের একজনকে পরিচিত বলে জানান নুরুল ইসলামের স্ত্রী। এ কথা শুনে ওই দুই ব্যক্তি অটোরিকশা থেকে নেমে যান। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক নুরুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আবদুর রহিম বলেন, নুরুল ইসলামের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তাঁকে নির্যাতন করে মারা হয়েছে। এ ঘটনায় কে বা কারা জড়িত তা চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্ত শেষে নিহত ব্যক্তির লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক মো. আরিফ বলেন, কর্ণফুলী নতুন সেতু এলাকা থেকে কয়েক জন লোক একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় এক কিলোমিটার আসে। এরপরে নতুন চাঁদগাঁও থানা এলাকায় এসে গাড়ি থেকে নেমে দুজন পালিয়ে যান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন