প্রসূতি শারমিন আকতারের অস্ত্রোপচার করেছেন যশোর জেনারেল হাসপাতালের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের কনসালট্যান্ট প্রতিভা ঘরাই। তিনি বলেন, ‘চারটি নবজাতকই সুস্থ আছে। একটি নবজাতকের ওজন এক কেজি এবং অপর তিনটির ওজন হয়েছে দুই কেজি করে। ওজন কম হওয়ায় ওই একটি নবজাতককে আইসিইউতে পাঠানো হয়েছে। ওই শিশুটি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে বলে আমরা আশাবাদী। অন্য তিনটি নবজাতকসহ তাদের মা সুস্থ আছেন।’

একই সঙ্গে দুই ছেলে ও দুই মেয়েকে পেয়ে আমাদের দুই পরিবারে এখন ঈদের মতো আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। তবে চার সন্তানকে মানুষ করা অনেক খরচের বিষয়। টাকার অভাবে মানুষকে মিষ্টিমুখ পর্যন্ত করাতে পারছি না। এদিকে তাদের বাবা দেশে গিয়ে এখনো কোনো কাজ পাননি। সব মিলিয়ে দুশ্চিন্তা হচ্ছে।
শারমিন আকতার

দম্পতির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ২৬ জুলাই যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া গ্রামের কুদ্দুস মোল্লার সঙ্গে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার সুতারকান্দি বাজিতপুর গ্রামের শারমিন আকতারের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পরে একটি সন্তানের জন্য তাঁরা ঢাকা, যশোর ও মাদারীপুরের বিভিন্ন চিকিৎসক-কবিরাজের দ্বারস্থ হয়েছেন।

কুদ্দুস মোল্লা দিনমজুরি করে সংসার চালাতেন। স্ত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রেখে মাস চারেক আগে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান তিনি। কিন্তু সেখানে এখনো কোনো কাজ পাননি তিনি।

শারমিন আকতার বলেন, ‘বিয়ের ১০ বছরে কোনো সন্তান না হওয়ায় আমাদের মনে অনেক কষ্ট ছিল। এখন একই সঙ্গে দুই ছেলে ও দুই মেয়েকে পেয়ে আমাদের দুই পরিবারে এখন ঈদের মতো আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। তবে চার সন্তানকে মানুষ করা অনেক খরচের বিষয়। টাকার অভাবে মানুষকে মিষ্টিমুখ পর্যন্ত করাতে পারছি না। এদিকে তাদের বাবা দেশে গিয়ে এখনো কোনো কাজ পাননি। সব মিলিয়ে দুশ্চিন্তা হচ্ছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন