তানভীর ইসলাম বলেন, ‘৯ জানুয়ারি বড়মুলনা গ্রামের ফসলি জমিতে একটি বাজপাখি আহত অবস্থায় ছটফট করছিল। বিষয়টি আমাকে জানান স্থানীয় তোতা মাতবর। পাখিটিকে কাতরাতে দেখে আমার খুব মায়া হয়। আমি পাখিটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাই। প্রতিদিন ২০০ টাকা খরচ করে উপজেলা সদরে নিয়ে যাই। ৩০০-৪০০ টাকার মাছ কিনে খাওয়াচ্ছি। পাখিটি সুস্থ হয়ে উঠছে। সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উড়ে যেতে সক্ষম হলে পাখিটি অবমুক্ত করে দেব।’

তানভীরের মা হোসনে আরা বেগম, ‘ছেলে ছোটবেলা থেকেই পশুপাখি ভালোবাসে। বাজপাখিটিকে নিয়ে সারা দিন কাটাচ্ছে। ইউটিউবে ভিডিও দেখে বাজপাখির খাদ্যাভ্যাস ও লালন-পালন সম্পর্কে জেনেছে। পাখিটির প্রতি ওর ভালোবাসা দেখে আমরা মুগ্ধ।’

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আতিকুর রহমান মিয়া বলেন, বাজপাখি একধরনের শিকারি পাখি। বাজপাখি সাধারণত নিজের থেকে ছোট আকৃতির জীবজন্তু ও পাখি খেয়ে বেঁচে থাকে। এক তরুণ অসুস্থ বাজপাখির সেবা-যত্ন করছেন। পাখিটির পায়ে গভীর ক্ষত থাকায় অ্যান্টিবায়োটিক ও ভিটামিন ইনজেকশন দেওয়া হচ্ছে। ওই তরুণের ভালোবাসায় পাখিটি দ্রুতই সুস্থ হয়ে উঠবে বলে তাঁর আশা।