নিহত হৃদয়ের বন্ধু মো. শ্রাবণ আজ মঙ্গলবার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, ‘হৃদয়ের গ্রামের পার্শ্ববর্তী কালীগঞ্জ উপজেলার নরুন হাইস্কুল মাঠে চার দিনব্যাপী ইসলামী মহাসম্মেলন হচ্ছিল। আমরা কয়েক বন্ধু মিলে গতকাল রাতে সেখানে যাই। সেখানে গিয়ে হৃদয়ের সঙ্গে দেখা হয়। রাত নয়টার দিকে আমরা বন্ধুরা ওই মাহফিলের পূর্ব দিকে রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে গল্প করছিলাম। এ সময়ের হৃদয়ের কলেজের কয়েকজন ছাত্র তাঁকে ডেকে নিয়ে যায়। ডেকে নেওয়ার কিছুক্ষণ পর সেখানে হইচইয়ের শব্দ শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি হৃদয় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। হৃদয়কে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’

গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ছানোয়ার হোসেন আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় তাঁর সমবয়সী একই কলেজের চার ছাত্রকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।