দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন বদলগাছি উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা কামরুজ্জামান ও তাঁর চার ভাই ওয়াহেদ আলী, সামসুজ্জামান, রকেট ও ডাবলু। অন্যরা হলেন একই গ্রামের আবদুল হামিদ, এনামুল হক, মোশাররফ হোসেন, বজলুর রহমান ও এমদাদুল হক। রায় ঘোষণার সময় কামরুজ্জামান, ওয়াহেদ আলী ও সামসুজ্জামান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্যরা পলাতক।

খালাস পাওয়া তিনজন হলেন দণ্ডপ্রাপ্ত বজলুর রহমানের স্ত্রী করিমা বেগম, এনামুলের স্ত্রী জলি আক্তার ও দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা হবিবরের ছেলে মো. জীবন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বদলগাছির দুর্গাপুর গ্রামের একটি গভীর নলকূপের মালিকানা নিয়ে গ্রামের দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে ২০১৩ সালের ৯ মে কামরুজ্জামান ও তাঁর চার সহোদরের নেতৃত্বে একদল লোক গ্রামের উজ্জ্বল হোসেনসহ চারজনকে পিটিয়ে আহত করেন। ঘটনার চার দিন পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উজ্জ্বল মারা যান।

এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ১০ মে দুর্গাপুর গ্রামের গভীর নলকূপ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা করেন। ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর বদলগাছি থানার উপপরিদর্শক লেলিন আলমগীর ১৩ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ দুপুরে রায় ঘোষণা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি আবদুল বারী।