তবে আজ শুক্রবার দুপুরে হাসপাতালটি ঘুরে দেখা যায়, ২৫ থেকে ৩০ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে অপেক্ষা করছেন। অনেকেই চিকিৎসা নিয়ে বের হয়ে যাচ্ছেন।

হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিয়ে স্বামীর সঙ্গে বাসায় ফিরছিলেন পোশাকশ্রমিক আঁখি আক্তার (২২)। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ডাক্তার দেখাইতে আসছিলাম। দেখানো শেষ, তাই চলে যাচ্ছি। চেকআপ করানোর জন্য ডাক্তারের কাছে আসতে হইছিল।’

হাসপাতালের কার্যক্রম চলছে। চিকিৎসকেরা বসছেন, রোগীও দেখছেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেন হাসপাতালের পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি হাসপাতালটিকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় সুন্দরভাবে পরিচালনা করার জন্য। কিছু রোগী চলে আসেন, যাঁরা এখানকার চিকিৎসকদের পূর্বপরিচিত। মানবিক দিক বিবেচনা করে তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয় না। ব্যক্তিগতভাবে চিকিৎসকেরা তাঁদের পরামর্শ দেন। হাসপাতালের কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবেই বন্ধ রাখা হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সায়েমুল হুদা বলেন, ‘সিলগালা করে দেওয়ার পর অনুমোদন প্রাপ্তির জন্য ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আবেদন করেছে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পরিদর্শন করার স্বার্থে তারা খোলা রেখেছে বলে আমাদের জানিয়েছে। তবে কোনোভাবেই চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুযোগ নেই। সেখানে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে এমন অভিযোগ আগেও এসেছে। এখন বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন