এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাত পৌনে আটটার দিকে নিজ বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে কীটনাশক পান করেন হৃদয়। এতে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসায় রাতে কিছুটা সুস্থ হলেও আজ ভোরের দিকে তাঁর অবস্থা অবনতি হতে থাকে। সকাল ছয়টার দিকে তিনি মারা যান।

নিহত যুবকের চাচা সবুজ মিয়া বলেন, হৃদয় পরিবারের কাউকে না জানিয়ে তিন মাস আগে কোর্টের মাধ্যমে একটি মেয়েকে বিয়ে করেন। সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হলে মেয়ের পরিবার তা মেনে নিতে পারেনি। হৃদয়কে ডির্ভোস দিতে মেয়েটিকে তাঁর পরিবার থেকে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এটি মেনে নিতে না পেরে হৃদয় বিষপান করেছেন।

ওই কলেজছাত্রকে হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা তানজিরুল ইসলাম জানান, বিষপানে হৃদয় মিয়ার ফুসফুস মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হাসপাতালে আনার সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। কিন্তু তাঁর পরিবার সময়ক্ষেপণ করেছে।

দুর্গাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এনামুল হক জানান, কলেজছাত্রের লাশটি দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে। তাঁর স্বজনেরা ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ নিয়ে যেতে আবেদন করেছেন। ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন