সুতারখালী ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা শেখ আসাদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে গতকাল শুক্রবার রাতে বনে টহল দিচ্ছিলেন বন কর্মীরা। তখন সুতারখালী খালে একটি নৌকা দেখতে পান তাঁরা। খালের এক পাশে গ্রাম ও অন্য পাশে সুন্দরবন। কিন্তু নৌকায় কেউ ছিলেন না। রাতেই ওই নৌকায় তল্লাশি চালান বন কর্মীরা। তখন নৌকায় রক্তের দাগ দেখতে পান তাঁরা। পরে বন কর্মীরা নদীর চর থেকে মানুষের পায়ের ছাপ দেখে গ্রামের রাস্তায় এগিয়ে গিয়ে কিছু রক্ত দেখতে পান। তখন সন্দেহ হয়, গ্রামের কেউ হয়তো বন থেকে হরিণ শিকার করে এনেছেন।

শেখ আসাদুর রহমান আরও বলেন, ওই ঘটনার পর রাতভর বন কর্মীরা ওই গ্রামে অভিযান চালান। পরে জানতে পারেন, সিদ্দিক গাজীর বাড়িতে জবাই করা হরিণ নেওয়া হয়েছে। সকালে ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুটি জবাই করা হরিণ উদ্ধার করা হয়। অভিযানের খবর পেয়ে ওই বাড়ির সবাই পালিয়ে যান। একটি হরিণ কেটে মাংস টুকরা করা হয়েছিল। সেটির পেট থেকে আনুমানিক এক কেজি ওজনের একটি বাচ্চা বের হয়। অন্যটি অর্ধেক চামড়া ছাড়ানো অবস্থায় বাড়ির পাশের পুকুরে পাওয়া যায়। ওই হরিণের পেটও উঁচু। ধারণা করা হচ্ছে, তার পেটেও বাচ্চা ছিল। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি। হরিণ শিকারের সঙ্গে সিদ্দিক গাজী ছাড়া কারা কারা জড়িত, সে ব্যাপারে তাঁরা অনুসন্ধান করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন