আজ শনিবার সকাল সাতটার দিকে টঙ্গীর দত্তপাড়া সিরাজউদ্দিন সরকার সড়কের টেকপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু ফাতেমা হকের বাবা শামসুল হক ও মা রিনা বেগম দুবাইপ্রবাসী। মা–বাবা দুজনই দেশে না থাকায় শিশুটি ফুফু শাহানাজের সঙ্গে থাকত।

শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে তার সহপাঠী ও বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন সকালে ফাতেমাকে স্কুলে পৌঁছে দিতেন ফুফু শাহানাজ। আজ সকালেও ফাতেমাকে স্কুলে নিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। বাসা থেকে বেরিয়ে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে অটোরিকশাটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় স্থানীয় একটি কারখানার স্টাফ বাস। বাসের চাকার নিচে পড়ে ফাতেমা ঘটনাস্থলে মারা যায়।

এদিকে শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে তার সহপাঠী ও বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা। তারা সকাল ১০টার দিকে বনমালা সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়ে বিক্ষোভে নামে। পরবর্তী সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পুলিশ এসে তাদের বুঝিয়েসুজিয়ে প্রায় আধা ঘণ্টা পর সড়ক থেকে সরিয়ে দেন।

টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাবেদ মাসুদ প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে বাসচালকের দোষ পাওয়া গেছে। বাসটি জব্দ করা হয়েছে, তবে চালক পলাতক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন