আবদুল আলী বলেন, প্রতিদিনের মতো রোববার রাতে ঘরে তাঁর মেয়ে আয়েশা ও ছেলে মাজহারুল ঘুমিয়ে ছিলেন। রোববার দিবাগত রাত তিনটার দিকে সজীব তার মা আয়েশাকে ঘুমন্ত অবস্থায় এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হন আবদুল আলী। এ সময় দেখেন তাঁর মেয়ের ঘরের দরজা খোলা। পরে ঘরে প্রবেশ করে মেয়ের রক্তাক্ত দেহ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে পুলিশকে খবর দেন। সোমবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

বন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ভোরে ছেলে সজীব মাকে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। সজীব মানসিক রোগী। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে নিখোঁজের দুই দিন পর গতকাল সকালে বন্দর ইউনিয়নের কুশিয়ারার বনপাড়া এলাকায় ডোবা থেকে মাসুম হাওলাদার (৩৫) নামের এক ভ্যানচালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাসুম বন্দরের চিতাশাল এলাকার আল আমিনের বাড়ির ভাড়াটে ও বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের কাকবুনিয়া গ্রামের সেকান্দার হাওলাদারের ছেলে।

নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে বন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু বক্কর জানান, সোমবার সকালে মাসুমের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।