শাহজাহান আলী প্রথম আলোকে বলেন, জুনায়েদ কিছুক্ষণ বিলিয়ার্ড খেলে চা পান করতে ওই ভবনের নিচে নামেন। এই ফাঁকে পাঁচ থেকে ছয়জন তরুণ সেখানে বিলিয়ার্ড খেলতে যান। জুনায়েদ আগে থেকে যে বোর্ডে খেলছিলেন, সেখানে খেলা শুরু করেন ওই তরুণেরা। কিছুক্ষণ পর জুনায়েদ এসে আগের বোর্ডে খেলতে গিয়ে দেখেন সেখানে অন্যরা খেলছেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর তিনি ওই যুবকদের বোর্ড ছেড়ে দিতে বলেন। এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। হাতাহাতি শুরু হলে বিলিয়ার্ড সেন্টারটির মালিক আরিফ দুই পক্ষকে থামাতে আসেন। এ সময় লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে আরিফের গালে থাপ্পড় লাগে।

শাহজাহানের অভিযোগ, এ সময় আরিফ সেখানে থাকা একটি ছুরি ওই যুবকদের হাতে দিলে সেটি দিয়ে তাঁরা জুনায়েদকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

বগুড়ার উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুজন মিয়া বলেন, বিলিয়ার্ড খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।