তবে নিশান মাহমুদের বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালি থানায় তিনটি মামলা ছিল। এর মধ্যে একটি দায়ের করা হয় ২০১২ সালে। মারামারির ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ওই মামলা করে। অপর দুটি মামলা হয় ২০১০ সালে। ওই দুটি মামলার একটির বাদী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম চৌধুরী এবং অপরটির বাদী বর্তমান জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য তাওফিক হোসেন। দুটি মামলা মারপিট ও চাঁদাবাজির অভিযোগে করা হয়।

নিশান মাহমুদের আইনজীবী ধনঞ্জয় বল বলেন, ৩ নভেম্বর নিশান মাহমুদ ওই তিনটি মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানান। আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। ১০ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) ফরিদপুরের ১ নম্বর আমলি আদালতে পুলিশের দায়ের করা মামলায় নিশানকে জামিন দেন। আজ সোমবার ফরিদপুরের ২ নম্বর জেলা জজ আদালতের বিচারক শিহাবুল ইসলাম মারপিটসহ চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা দুটি মামলায় নিশান মাহমুদকে জামিন দিলে তিনি মুক্ত হন।

নিশান মাহমুদ ২০১৫ সালে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হন। অর্থ পাচারের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার দুদিন পর ২০২০ সালের ২২ আগস্ট তাকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। নিশান বলেন, ‘ওই মামলার কারণে আমাকে জেলা ছাত্রলীগের পদ হারাতে হয়েছে। আমি অপরাধ না করেও কারাবরণ ও ছাত্রলীগের পদ হারাতে হলো। এর পর একজন মানুষের আর কীইবা বলার থাকে।’