বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘আপনার (সুরুজ্জামান) ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত  প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার মেয়র শেখ মোহাম্মদ নুরুন্নবীকে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে দেখতে চাই মর্মে পোস্ট দেওয়া হয়েছে। আপনি (সুরুজ্জামান) আওয়ামী লীগ, জামালপুর জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। সংগঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড অসাংগঠনিক, বিব্রতকর ও সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী। এ বিষয়ে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু আপনি (সুরুজ্জামান) বিভিন্ন সময়ে তা উপেক্ষা করেছেন। ’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এ অবস্থায় সংগঠনের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার স্বার্থে গঠনতন্ত্রের ৪৭ (৯) ধারা অনুযায়ী সুরুজ্জামানকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং তাঁকে কেন বহিষ্কার করা হবে না, সাত দিনের মধ্যে তা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে লিখিতভাবে  জানাতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তাঁর বিরুদ্ধে চূড়ান্তভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের কাছে সুপারিশ পাঠানো হবে।

তবে এ বিষয়ে অধ্যাপক সুরুজ্জামান আজ বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, ‘অব্যাহতি দেওয়ার চিঠি আমি পেয়েছি। তাঁদের প্রতি পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে এই বিষয়ে আমার বক্তব্য খুবই সুস্পষ্ট। আমার ফেসবুক আইডি থেকে আজ পর্যন্ত দল ও দলের সম্মানিত নেতাদের হেয় করে কোনো স্ট্যাটাস দেই নাই। আমার আইডি থেকে দেওয়া যে স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে আমাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, সেটিতে আমি একটি শব্দ ও বাক্য দলের বিরুদ্ধে দেই নাই। সেই স্ট্যাটাসে যা লিখেছি, তা দলের পক্ষেই লিখেছি। আমার মনে হয়, কোথাও তাঁরা আমার বক্তব্যকে ভুল বুঝেছেন। আমি আওয়ামী লীগের মাঠকর্মী। আমি দলের সঙ্গে ছিলাম এবং আছি। লিখিত জবাব তাঁরা চেয়েছেন, আমি তা অচিরেই দেব। আমি করে করি, ওই স্ট্যাটাসের পরিপ্রেক্ষিতে আমাকে এই রকম একটি চিঠি তাঁরা দিতে পারেন না। এটি আমার প্রতি সাংগঠনিক অবিচার। বিষয় নিয়ে আমি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দ্বারস্থ হব।’