আজ শনিবার বেলা একটায় হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলা পরিষদের হেলিপ্যাড মাঠে কৃষকদের মধ্যে সরকারি প্রণোদনার বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমান সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য পরামর্শ দিতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘মানুষকে ব্যয় কমিয়ে উৎপাদনের দিকে যেতে হবে। সরকার দেশের বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের এখন নতুন গাড়ি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলমান বৈশ্বিক সংকট ও বাজারে অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেশ কিছু কৌশল তৈরি করেছেন। আমরা এসব কৌশল অনুসরণ করলে এ সংকট কাটিয়ে উঠতে পারব।’

পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, সরকার সব ব্যয় কমিয়ে আনলেও কৃষকদের উন্নয়ন যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে ঠিকই নজর আছে। চলমান বিদ্যুৎ-সংকটের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের যে বিভ্রাট, তা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে এবং সময়ের সঙ্গে এ সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিন্টু চৌধুরী। এতে অতিথি হিসেবে ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য  মো. আবু জাহির, সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা, হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নূরে আলম সিদ্দিকী।

এতে বক্তব্য দেন লাখাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মুশফিউল আলম, ভাইস চেয়ারম্যান মো. আমিরুল ইসলাম আলম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া বেগম প্রমুখ। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শরীফ উদ্দিন। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা সহস্রাধিক কিষান ও কিষানি উপস্থিত ছিলেন।