স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফাইতং ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা থেকে গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিতে চিংসাথুই মারমা ফাদুর বাগানপাড়ার বাড়িতে ফিরছিলেন। ওই এলাকায় ঘুরে বেড়ানো ১০ থেকে ১২টি হাতির একটি দল তখন ওই পথ পাড় হচ্ছিল। চিংসাথুই হাতির পালের মুখোমুখি পড়ে যান। তিনি পালানোর চেষ্টা করলেও একটি হাতি তাঁকে ধরে ফেলে। তাঁকে শুঁড় দিয়ে ছুড়ে মারে হাতি।

ফাইতং হেডম্যানপাড়ার বাসিন্দা থোয়াইং সানু মারমা বলেন, ফাদুর বাগানপাড়াটি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে। চিংসাথুই মারমার চিৎকারে পাড়াবাসী মশাল নিয়ে এগিয়ে এলে হাতির পাল সরে যায়। তখন তাঁকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী চকরিয়ার একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ফাইতং পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. শামীম শেখ বলেন, চিংসাথুই মারমাকে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালেই তিনি মারা যান।

লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. আরিফুল হক বলেন, হাতির পালটি আজিজনগর ও ফাইতং ইউনিয়নকে যাতায়াতের পথ (কড়িডোর) হিসেবে ব্যবহার করে। চুনতি থেকে হারবাং যাওয়ার সময় হাতিরা কয়েক দিন সেখানে অবস্থান করছে। এই সময়ে দুই ইউনিয়নের তিনটি স্থানে হামলার শিকার হয়ে মারা গেছেন তিনজন। হাতির দল এখনো সেখানে অবস্থান করছে। এলাকার লোকজনকে সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে।