পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবু সালেহ ও কোহিলা বেগমের কোনো সন্তান নেই। গতকাল রাতে আবু সালেহর সঙ্গে স্ত্রী কোহিলা বেগমের ঝগড়া হয়। আজ সকাল থেকে ঘরের ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে আবু সালেহর ছোট ভাই আল আমিন ভাইকে খুঁজতে যান। এ সময় তিনি রান্নাঘরে আবু সালেহর লাশ পরে থাকতে দেখেন।

আল আমিন বলেন, আবু সালেহ দুই বছর আগে একই গ্রামের কোহিলা বেগমকে বিয়ে করেন। আবু সালেহর তৃতীয় স্ত্রী ছিলেন কোহিলা বেগম। ওই বাড়িতে শুধু আবু সালেহ ও কোহিলা বেগম থাকতেন। তাঁদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। গতকাল রাতে ঝগড়ার জেরে কোহিলা বেগম আবু সালেহকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন বলে তিনি ধারণা করছেন।

উপজেলার মঠবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের উত্তর মিঠাখালী গ্রামের গ্রামপুলিশ মো. আবদুল হালিম বলেন, আবু সালেহর লাশ কাদামাখা অবস্থায় রান্নাঘরে পড়ে ছিল। রান্নাঘরের পাশে একটি দড়ি পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, আবু সালেহকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নূরুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। নিহত ব্যক্তির শরীরে প্রাথমিকভাবে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার পর থেকে আবু সালেহর স্ত্রী গা ঢাকা দিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন