হাতিয়ায় সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার ওপর হামলার অভিযোগে মামলা
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল হাসানের (৩৯) ওপর হামলার অভিযোগে মামলা করেছেন তিনি। গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে উপজেলা পরিষদ–সংলগ্ন শহীদ মিনার সড়কে একদল দুর্বৃত্ত এ হামলা চালায় বলে জানান তিনি।
গতকাল রাতে হাতিয়া থানায় করা মামলাটিতে আসামি করা হয়েছে উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর মোহাম্মদ ছাকায়েত হোসেনকে। এ ছাড়া আরও সাত-আটজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা পর্যন্ত পুলিশ অভিযুক্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাত সোয়া আটটার দিকে তিনি মোটরসাইকেলে করে কর্মকর্তাদের ডরমেটরির দিকে যাচ্ছিলেন। উপজেলা পরিষদ–সংলগ্ন শহীদ মিনার সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় সাত-আটজন লোক তাঁর পথরোধ করে। তিনি এ সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওই দুর্বৃত্তরা তাঁকে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি ও লাথি দিতে থাকে। হামলাকারীরা তাঁর পরনের টি-শার্ট ছিঁড়ে ফেলে। এ সময় তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ওই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
কামরুল হাসানের অভিযোগ, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর মোহাম্মদ ছাকায়েত হোসেন তাঁর ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত এবং নির্দেশদাতা। কারণ, এর আগে বিভিন্ন সময়ে রিসোর্স সেন্টারে প্রশিক্ষণের জন্য অবৈধভাবে শিক্ষকদের বাছাই করে টাকা আদায় করতেন ছাকায়েত। তিনি এসবের প্রতিবাদ করলে ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে হুমকি দিয়েছিলেন ছাকায়েত।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোহাম্মদ ছাকায়েত হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, গতকালের হামলার ঘটনার পর তিনি গা ঢাকা দিয়েছেন।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল হাসানের ওপর হামলার লিখিত অভিযোগটি মামলা হিসেবে রুজু করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।