পুলিশ জানায়, ওই রোহিঙ্গা কিশোরী শাহদাত হোসেন (২৮) নামের এক তরুণের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন। এ ছাড়া শাহদাতের বন্ধু মো. কচির (২৭) বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহযোগিতা ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ করেছে সে। আজ বেলা দুইটা পর্যন্ত পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কাউকে আটক করতে পারেনি। অভিযুক্ত শাহাদাত উপজেলার চরআলাউদ্দিন গ্রামের মৃত আসাদুল হকের ছেলে এবং মো. কচি একই এলাকার মো. রুহুল আমিনের ছেলে।

ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন চৌধুরী ও ইউপি সদস্য নুর আলম কিশোরীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মো. নুর আলম ওই কিশোরীর বরাত দিয়ে জানান, চার মাস আগে দালালের মাধ্যমে ভাসানচরের আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে ওই কিশোরীকে সুবর্ণচরের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে ভাগিয়ে আনেন শাহাদাত হোসেন। এরপর তাকে খাসেরহাট এলাকার একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে তিন মাস ধরে ধর্ষণ করেন শাহদাত। শাহদাতের বন্ধু কচিও ওই কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।

পুলিশ জানায়, মাসখানেক আগে ওই কিশোরী পুনরায় ভাসানচর ফিরে যায়। সেখান থেকে দালালের মাধ্যমে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আবার তাকে মোহাম্মদপুর এলাকায় নিয়ে আসেন শাহদাত। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি টের পেয়ে ইউপি সদস্য নুর আলমকে জানান। পরে ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন চৌধুরী ও ইউপি সদস্য নুর আলম কিশোরীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

সুবর্ণচরের চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেবপ্রিয় দাশ প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। কিশোরী শাহদাত ও কচি নামের দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। তাঁদের আটক করার জন্য ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে পুলিশ। ওসি আরও জানান, ওই কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।