হুমায়ুন আহমেদ বলেন, ‘এরপর তাঁরা জোর করে দুলালকে লক্ষ্মীপুরের পাশেই আলীগঞ্জ পশ্চিমপাড়ায় রিকশা নিয়ে যায় এবং তাঁকে ব্যাপক মারধর করে। ফোন, টাকাপয়সা সব নিয়ে নেয়। একপর্যায়ে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে সেখানকার লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রিকশায় তুলে দেয়। এরপর সে আমার কাছে আসে এবং আবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তারপর দুলালকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন।’

বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক সলীল সমাদ্দার সাংবাদিকদের বলেন, দুলাল চন্দ্রের মাথার পেছনে আঘাত করা হয়েছে এবং তাঁর হাতের কবজিতে ব্লেডের আঘাত রয়েছে। মাথার আঘাতের কারণে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে রাজশাহী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আসাবুল হক প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। আগে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চিকিৎসা জরুরি। তারপর কারা এমন করেছে, কী কারণে করেছে, তা বের করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন