এই কিশোরের নাম সাব্বির হোসেন (১৬)। তার বাবার নাম হায়দার আলী। বাড়ি উপজেলার আড়পাড়া গ্রামে। বাবা একজন ভ্যানচালক। ছেলেটি শারীরিক প্রতিবন্ধী, কিছুটা বাক্‌প্রতিবন্ধীও। তবে সে ব্যাটারিচালিত ভ্যান চালাতে পারে। সে আড়পাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

চাচা শরিফুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয় ছুটির পর সাব্বির তার বাবার ভ্যান নিয়ে বের হতো। গত রোববারও একইভাবে ভ্যান নিয়ে বের হয়। তারপর আর তাকে পাওয়া যায়নি। গত মঙ্গলবার রাতে রাজশাহীর বাঘা থানায় অপহরণ করে হত্যার অভিযোগে একটি মামলা হয়।

নিখোঁজের তিন দিন পর আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বজলুর রহমান মাস্টারের আমবাগানের পাশের নালায় সাব্বিরের মরদেহটি পাওয়া যায়। বাগানের ভেতরেই পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় ব্যাটারিচালিত ভ্যানটি। তবে এতে ব্যাটারি পাওয়া যায়নি।

পুলিশ বলছে, কিশোরের শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে। আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ভ্যানের ব্যাটারি পাওয়া যায়নি। এ ব্যাটারির জন্য তাকে খুন করা হতে পারে। অথবা পূর্বশত্রুতা থাকতে পারে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আগের দিন রাতেই নিহত কিশোরের বাবা বাদী হয়ে বাঘা থানায় অপহরণের মামলা করেছিলেন। মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে।