পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে শিশুটিকে তাঁর দাদির কাছে রেখে মাঠে কাজ করতে যান বাবা-মা। দুপুরের সে পরিবারের অন্য শিশুদের সঙ্গে বাড়ির উঠানে খেলছিল। এ সময় হঠাৎ করেই মাটিতে পড়ে যায়।

দাদি তাকে কোলে নিয়ে তার বাবা-মাকে ডাকতে থাকেন। এরপর শিশুটির মা বাড়িতে এসে তাকে গরুর দুধ পান করান। এর কিছুক্ষণ পর শিশুটি নিজের গলার দিকে দেখিয়ে ছটফট করতে করতে অচেতন হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা তাকে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির বাবা রুহুল আমিন বলেন, ‘আমি মাঠে কাজ করতে গিয়েছিলাম। সেখানে খবর পাই, ছেলেটা কেমন জানি করছে। দৌড়ে বাড়িতে গিয়ে দেখি, আমার বাবাটা ছটফট করছে। ওর কী হয়েছে আমি কিছুই বুঝতে পারি নাই।’

দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. হাসিনুর রহমান বলেন, শিশুটিকে মৃত অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়েছিল।

দেবীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাফিজ হায়দার বলেন, শিশুটির মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি। বাবা-মা বাড়িতে না থাকায় পরিবারের লোকজনও পরিষ্কার করে কিছুই বলতে পারছেন না। এ জন্য লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেননি।