এর আগে গত ৫ জানুয়ারি শাহজাহানের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা হয়েছিল। এতে বলা হয়, সম্পদ বিবরণীতে ৪৯ লাখ ৩৯ হাজার ১২৬ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন এবং আয়বহির্ভূত ৭৮ লাখ ১ হাজার ৫২০ টাকার স্থাবর, অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেন তিনি। এটি তদন্তাধীন।

শাহজাহান বর্তমানে চট্টগ্রাম শিল্প পুলিশে পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত। তিনি কুমিল্লা জেলার লালমাই থানার কাতালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে নগরের খুলশী থানার লালখান বাজার হাই লেভেল রোডে স্ত্রীসহ শাহজাহান বসবাস করেন।

দুদক চট্টগ্রামের উপপরিচালক মো. আতিকুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, শাহজাহানের স্ত্রী ফেরদৌসীর ১ কোটি ৪৮ লাখ ৪ হাজার ৪১৩ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। যা তিনি মৎস্য ও পোলট্রি ব্যবসা করে আয় করেছেন বলে দাবি করেন। কিন্তু তাঁর এসব ব্যবসার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া অন্য কোনো রেকর্ডপত্র দেখাতে পারেননি। সরকারি কর্মকর্তার স্ত্রী হিসেবে ব্যবসা করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিপত্র, মৎস্য এবং পোলট্রি খামারে মিটার সংযোগ থেকে শুরু থেকে যাবতীয় কাগজ, পরিবেশ ছাড়পত্র, খামারের লেনদেন–সংক্রান্ত ব্যাংক হিসাব, মালামাল কেনাবেচার ভাউচার—কিছুই পাওয়া যায়নি। স্বামী শাহজাহানের ঘুষ, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করে ভোগ দখলে রাখতে পোলট্রি ও মৎস্য ব্যবসায়ী বানিয়ে ভুয়া আয় দেখান।

কক্সবাজার টেকনাফের বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থে স্ত্রী চুমকি কারনের নামে বাড়ি, গাড়ি ও ফ্ল্যাট করেন। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মুনশি আবদুল মজিদ রায়ে রাষ্ট্রের অনুকূলে এসব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেন। একই সঙ্গে প্রদীপকে ২০ বছর এবং তাঁর স্ত্রীকে ২১ বছরের সাজা দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন