হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, অটোরিকশার যাত্রীরা সবাই আত্মীয়স্বজন। তাঁরা টেকনাফ থেকে হোয়াইক্যং যাচ্ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার বেলা একটার দিকে যাত্রীবাহী অটোরিকশাটি হোয়াইক্যংয়ের দিকে যাচ্ছিল। অটোরিকশাটি লম্বাবিল এলাকার বায়তুল নূর মসজিদের সামনে পৌঁছালে হোয়াইক্যংগামী একটি ডাম্প ট্রাক পেছন থেকে ধাক্কা দিলে সেটি দুমড়েমুচড়ে যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন সিএনজিতে থাকা চার যাত্রী, চালকসহ পাঁচজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উখিয়ার গয়ালমারা এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে নেওয়ার পর ফাতেমা বেগম ও শিশু আশোয়াদকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহত রেহানা বেগম ও খোরশেদা বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত অটোরিকশা ও ডাম্প ট্রাকটি পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক পালিয়ে গেছেন। নিহত মা ও ছেলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন