রেলস্টেশন সূত্র জানায়, জামালপুরে ১০৮ কিলোমিটার রেলপথে ১৯টি স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে ২ বছর ধরে নরুন্দি স্টেশন, ৮ বছর ধরে জামালপুর কোর্ট স্টেশন, ১০ বছর ধরে ইসলামপুরের মোশারফগঞ্জ স্টেশন, সরিষাবাড়ীর বাউসী স্টেশন, বয়ড়া স্টেশন, জাফরশাহী স্টেশন, ৫ বছর ধরে শহীদনগর ও হেমনগর স্টেশন বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া মেলান্দহের দুরমুঠ স্টেশন ও সদরের কেন্দুয়া স্টেশন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খোলা থাকে। বাকি সময় ওই দুটি স্টেশন বন্ধ থাকে। অন্যদিকে এই রেলপথে লোকাল ও মেইল মিলে ৮টি ট্রেন চলাচল করে। এর মধ্যে দুই বছর ধরে ময়মনসিংহ থেকে দেওয়ানগঞ্জগামী একটি মেইল ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। 

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই সব স্টেশনে একজন স্টেশনমাস্টার ও সহকারী মাস্টার এবং চারজন করে পয়েন্টসম্যান থাকার কথা। কিন্তু এসব স্টেশনে কেউ নেই। একজন করে স্টেশনমাস্টার রয়েছেন দুরমুঠ স্টেশন ও কেন্দুয়া স্টেশনে।

এ কারণে রাতে ট্রেনের চালককে সংকেত দেওয়া, যাত্রীদের সহায়তা করা ও টিকিট কাটার কাজ বন্ধ রয়েছে। তবে এসব স্টেশনে ট্রেন থামছে, যাত্রীরাও ওঠানামা করছেন।

জামালপুরের সহকারী স্টেশনমাস্টার মাসুমা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, তীব্র জনবল-সংকটের কারণে স্টেশনগুলো বন্ধ। এতে প্রতিনিয়ত ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটে। সব সময় ট্রেন চলাচল নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকতে হয়। বন্ধ স্টেশনগুলোতে নাশকতার আশঙ্কাও রয়েছে। স্টেশন বন্ধ থাকায় সব সময় সতর্ক থাকতে হয়। করোনার সময় ময়মনসিংহ থেকে আসা লোকাল ট্রেনটি বন্ধ হয়ে যায়।