এ ঘটনায় ওই নারী সিংড়া থানায় মামলা করতে গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলা নেননি। ঘটনার পাঁচ দিন পর ১৮ মার্চ ওই নারী নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণচেষ্টার মামলা করেন। মামলাটি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান মাহমুদ তদন্ত করে ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় আসামি আজিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এর মধ্যে জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে পলাতক আজিজ।

নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি আনিছুর রহমান বলেন, সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আসামির অনুপস্থিতিতে আদালত এ রায় দেন। রায়ে বাদী সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।