আনিছুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, আজ ফজরের নামাজ শেষ করে তিনি বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ সময় দূর থেকে মিছিলের আওয়াজ শুনে তিনি ঠাকুরদিঘি বাজারে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর দুটি বাস ও কয়েকটি মাইক্রোবাস আড়াআড়িভাবে রেখে ১০০ থেকে ১৫০ জন শিবির কর্মী মিছিলের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সেখানকার শিবির কর্মীদের মধ্যে একজনের কাছে তিনি সমবেত হওয়ার কারণ জানতে চান। এ সময় শিবির কর্মীরা তাঁকে বেধরক মারধর শুরু করেন।

দুর্গাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, শিবির কর্মীরা মিছিল বের করার জন্য ঠাকুরদিঘি বাজার এলাকায় একত্রিত হয়েছেন, এমন খবর পেয়ে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা ও দলীয় কর্মীরা সেখানে যাচ্ছিলেন। তবে দলীয় কর্মীরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই শিবির কর্মীরা আনিছুর রহমানের ওপর হামলা চালান। পরে দলীয় নেতা–কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে শিবির কর্মীরা পালিয়ে যান। তবে এ সময় আসিবুল হাসান নামের এক শিবির কর্মীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। হামলার পর আনিছুর রহমানকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মিনহাজ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকাল সাড়ে সাতটার দিকে আনিছুর রহমান নামের আহত এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। আহত ব্যক্তির মাথার বাঁ পাশে তিনটি ও বাঁ হাতে একটি সেলাই দিতে হয়েছে।

জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহেদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগে আসিবুল হাসান নামের এক শিবির কর্মীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।