সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনে কীটবিষয়ক প্রয়োগ কুশলী কর্মকর্তা নেই। এ জন্য সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সহায়তা নিতে হয়। আজকের অভিযানে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সহযোগিতায় নগরের দক্ষিণ সুরমার কদমতলী ও ভার্থখলা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এতে সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে কদমতলী এলাকার একটি স্যানিটারি সামগ্রীর দোকানে এডিস মশার লার্ভার সন্ধান পাওয়া গেছে। অভিযানে এডিস মশার লার্ভাগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।

সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও দক্ষিণ সুরমার কদমতলী ও ভার্থখলা এলাকার পুরোনো টায়ার ও স্যানিটারি সামগ্রীর দোকানগুলোতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গিয়েছিল।

প্রতিবছরই তাঁদের সতর্ক করা হয়। তবে একটি দোকানের বাইরে মালামাল রাখায় বৃষ্টির পানি জমে ছিল। সেখানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। পরে সেগুলো মশা নিধনের কীটনাশক এবং ফগার মেশিনের মাধ্যমে ওষুধ ছিটিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। অভিযানে ওই এলাকার সব প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সতর্ক করা হয়েছে—পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর মালামাল এমন অবস্থায় পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন জন্মেজয় দত্ত বলেন, সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে বিভিন্ন এলাকার মশার লার্ভা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে দক্ষিণ সুরমার দুটি স্থান থেকে সংগ্রহ করা লার্ভায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গিয়েছিল। ওই লার্ভাগুলো ভার্থখলা ও কদমতলী এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন