স্থানীয় ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, কনের বাবা-মা ভারতে থাকেন। কনে নানার বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করে। নানা এ বিয়ের আয়োজন করেছিলেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুলী বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, কেঁড়াগাছি ইউনিয়নে নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হয়েছে—খবর পেয়ে আজ বেলা তিনটার দিকে তিনি অভিযানে যান। গিয়ে দেখেন কনের বয়স ১৪ বছর। তাঁদের যাওয়ার পরপরই বরপক্ষ সটকে পড়ে। একপর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কনের নানাকে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন তিনি।

অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করেন উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা নূরুন নাহার, কলারোয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ওসমান, উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ের বেঞ্চ সহকারী এম এ মান্নান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন