মুক্তি পাওয়া শিশুদের মধ্যে একজন মেয়ে আছে। রাজশাহীর বাঘা, চারঘাট, পুঠিয়া, দুর্গাপুর, বাগমারা, পবা ও মোহনপুর উপজেলায় ২০১৫ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত এই ৩০টি মামলা হয়। মঙ্গলবার রায় ঘোষণার সময় আদালতে ২৬ আসামি উপস্থিত ছিল। কিন্তু রায় সবার জন্যই প্রযোজ্য হবে।

মতিনুর রহমান আরও বলেন, ছোটখাটো মারামারি, ধর্ষণচেষ্টা, চোলাই মদ পান, গাঁজা সেবন, কাছে অল্প পরিমাণ গাঁজা রাখাসহ বিভিন্ন অপরাধে মামলাগুলো করা হয়েছিল। আগামী এক মাসের মধ্যে শর্তগুলো আরোপ করা হবে। এর মধ্যে ভালো কাজ করার শর্তও থাকবে। মামলার প্রকৃতি অনুযায়ী শর্তগুলো আরোপ করা হবে। এ ছাড়া সাধারণ কিছু শর্ত থাকবে। যেমন তারা মাদকে জাড়তে পারবে না, বাল্যবিবাহ করতে পারবে না, মা–বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে পারবে না, কোনো মারামারিতে জড়াতে পারবে না।

মতিনুর বলেন, ফ্যামিলি কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে। কনফারেন্সের সময় মামলার বাদীরাও উপস্থিত থাকবেন। দুই মাসের মাথায় প্রথম প্রতিবেদন আদালতে জমা দিতে হবে। দুই মাস অন্তর অন্তর একটি করে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে হবে। ছয় মাসে মোট তিনটি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।