ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিজ এলাকাতেই ইনসানিয়াতের প্রার্থীর ওপর হামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের ইনসানিয়াত বিপ্লব বংলাদেশের প্রার্থী শেখ হানিফের ওপর হামলার পর জেলা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন তিনিছবি: প্রথম আলো

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে ইনসানিয়াত বিপ্লব বংলাদেশের প্রার্থী শেখ হানিফের ওপর হামলা হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় নিজ এলাকা সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের চিনাইরের চাপুইর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আরও সাতজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা করেছেন তিনি।

ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রার্থী অভিযোগ করেছেন, বিএনপির লোকজন তাঁর ওপর হামলা করেছেন। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে এ অভিযোগ অস্বীকার করে পুরো বিষয়টি ‘সাজানো’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

হামলায় আহত ব্যক্তিরা হলেন ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় স্টুডেন্ট ফ্রন্টের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জু আহমেদ, প্রচার সম্পাদক রেফায়েত উল্লাহ, দলটির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার স্টুডেন্ট ফ্রন্টের যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক লিওন মোল্লা, সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শফিক আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হৃদয় ও অর্থ সম্পাদক মো. নাজমুল। এই আসনের প্রার্থী শেখ হানিফ দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

শেখ হানিফ অভিযোগ করেন, প্রচারণার শেষ দিনে তিনি চাপুইর এলাকায় গণসংযোগ চালাচ্ছিলেন। এ সময় হিরণ মিয়া নামে একজনের নেতৃত্বে বিএনপির লোকজন তাঁর ওপর হামলা করেন। ‘মানবতার রাষ্ট্র’ গঠনের কথা বলতে গেলে বিএনপির কর্মী সমর্থকেরা তাঁর ওপর হামলা করেন। এতে তিনিসহ আটজন আহত হন।

ফেসবুকে পাওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি বাজার এলাকায় গণসংযোগের সময় শেখ হানিফসহ তাঁর সঙ্গে থাকা লোকজনের ওপর লাঠিসোঁটাসহ একদল লোক হামলা করেন। এ সময় হানিফের হাতে থাকা একটি মাইক কেড়ে নেওয়া হয়।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম হামলার ঘটনাটিকে সাজানো ও মিথ্যা-বানোয়াট বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কেউ জড়িত নন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। শান্ত, হিরন ও কালাম নামে তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।