পুরস্কার দেওয়ার সময় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এমদাদুল হক, জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. ফারুক শেখ, ছৈলাদী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মুফতি হাবীবুল্লাহ রফিক, সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মুরশেদ কাজী ও গ্রামবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।

ইউপি সদস্য ফারুক শেখ জানান, চলতি বছরের ২১ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত টানা ৪০ দিন নামাজ আদায়ের কর্মসূচি নেওয়া হয়। কর্মসূচিতে ছৈলাদী গ্রামের ৩৭ জন কিশোর-যুবক অংশ নেয়। টানা ৪০ দিন (২০০ ওয়াক্ত) তাকবিরে উলার সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে এসে আদায় করতে সক্ষম হয়েছে ১০ কিশোর। ৯ কিশোর ১৮৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে। ২০০ ওয়াক্ত নামাজ আদায়কারী কিশোরদের বাইসাইকেল ও ১৮৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায়কারী ৯ কিশোরকে উপহারসামগ্রী দেওয়া হয়েছে।

মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মুরশেদ কাজী বলেন, তুরস্কের দেখাদেখি এমন ভাবনা আসে ছৈলাদী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির। গ্রামবাসীর উদ্যোগে ও কমিটির আয়োজনে কিশোরদের নামাজে উদ্বুদ্ধ করতে এই আয়োজন। তারা যেন মুঠোফোন আসক্তি থেকে দূরে থাকে, এ জন্য এমন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়।

মসজিদের ইমাম মুফতি হাবীবুল্লাহ রফিক বলেন, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়কারীকে আল্লাহ পুরস্কৃত করবেন। আমরা শিশু-কিশোরদের নামাজে আগ্রহী করতে এই উদ্যোগ নিয়েছি। শুধু ছৈলাদী গ্রাম নয়, আশপাশের গ্রাম, শহরে এটা ছড়িয়ে যাক। তাতে কোমলমতি শিশু-কিশোরেরা মুঠোফোন ও অন্যান্য আসক্তি থেকে দূরে থাকবে।’

বাইসাইকেল পুরস্কার পাওয়া কিশোর রাকিবুল বলে, ‘৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করায় এখন মোটামুটি অভ্যস্ত হয়ে গেছি। শুধু পুরস্কার পাওয়ার আশায় নয়, মুসলমান হিসেবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে। জীবনের বাকি সময় যেন জামাতে নামাজ পড়তে পারি, সে জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন