কামাল আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল সোমবার রাতে সাংগঠনিক কাজ সেরে মসিউর নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে পড়েন। ওই বাড়িতে তিনি একাই থাকতেন। আজ সকাল থেকে মসিউরের কোনো খোঁজখবর পাওয়া যাচ্ছিল না। বেলা ১১টার পর দলীয় কর্মীরা মসিউরের বাসায় গিয়ে ডাকাডাকি করেন। এতে মসিউর কোনো সাড়া না দিলে কর্মীরা দরজা ভেঙে তাঁকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। সেখান থেকে মসিউরকে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মসিউর রহমান ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার কন্যাদহ গ্রামের মৃত মনির উদ্দিন বিশ্বাস ও মৃত সুলতানা নেছার ছেলে। ১৯৫৩ সালের ২৫ জুন কন্যাদহ গ্রামে মসিউর জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ছিলেন। এ ছাড়া ২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি ছিলেন।