আদালত সূত্রে জানা গেছে, বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর কলেজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন (৩৫) ব্যাটারিচালিত ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর দুপুরের খাওয়াদাওয়ার পর বাড়ি থেকে ভ্যান নিয়ে বের হন। রাত সোয়া ১০টার দিকে তিনি যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় দুজন অপরিচিত যাত্রী ঘোনার ঘাট যেতে চাইলে তাঁদের নিয়ে রওনা দেন বিল্লাল। কিন্তু এরপর আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। রাত ১২টার দিকে বিল্লালের মুঠোফোনে কল দেন তাঁর স্ত্রী।

এ সময় ফোনের অপর প্রান্ত থেকে গালাগাল করা হয়। পরদিন দুপুরে দিলালপুর শ্মশানঘাট এলাকায় বিল্লালের গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনার পরদিন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে নিহতের বড় ভাই দাউদ হোসেন বালিয়াকান্দি থানায় মামলা করেন।

পরের বছর ২০১৫ সালের ১ মার্চ চারজনকে আসামি করে মামলার অভিযোগপত্র দেয় বালিয়াকান্দি থানার পুলিশ। এরপর সাক্ষ্য গ্রহণ ও উভয় পক্ষের যুক্তি-তর্ক শেষে আদালতের বিচারক আজ রায় ঘোষণা করেন।

রাজবাড়ী আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) উজির আলী শেখ প্রথম আলোকে বলেন, আসামিদের মধ্যে মো. নুরুজ্জামান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের পর রায় কার্যকর করা হবে।