নিহত ব্যক্তির মা সাফিয়া খাতুন বলেন, এলাকার একজনের জানাজা শেষে মেহেদী বাড়ির পাশের চায়ের দোকানে গিয়েছিলেন। গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি তাঁর ছেলের মুঠোফোনে কল করলে মেহেদী জানান, তিনি বাসায় ফিরছেন। ওই সময় তিনি মুঠোফোনে শুনতে পান, কারা যেন তাঁকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলছেন। এরপর তিনি তাঁর ছেলের মুঠোফোন বন্ধ পান।

সাফিয়া খাতুন আরও বলেন, ‘লোকজন আইসা কয়, আমার পোলারে কুপাইছে। ওরে হাসপাতালে নিয়া গেছে। আমি হাসপাতালে আইসা দেখি আমার পোলা আর নাই। আমার ছেলেরে যারা মারছে, ওগো শাস্তি চাই, ওগো ফাঁসি চাই।’

নিহত ব্যক্তির বড় বোন মৌসুমি বেগম বলেন, কিছুদিন আগে শহরের বালুর মাঠ এলাকায় কিছু লোকের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল তাঁর ভাইয়ের। এর পর থেকে তাঁর ভাই অনেকবার বলেছেন, তাঁকে তাঁরা মেরে ফেলবেন।

এ বিষয়ে ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিজাউল হক বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জেরে ওই যুবককে হত্যা করা হয়েছে। হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। লাশের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন