কুমিল্লায় কোমরে পিস্তল গুঁজে ঘুরছিলেন তরুণ, চায়ের দোকান থেকে আটক
কোমরের কাছে প্যান্টের ভেতর গুঁজে রাখা ছিল একটি বিদেশি পিস্তল। সেই অস্ত্র নিয়েই কুমিল্লা নগরের গোবিন্দপুর এলাকায় ঘুরছিলেন ছামির ইসলাম (২০)। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি চায়ের দোকান থেকে তাঁকে আটক করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
ছামির ইসলামের বিরুদ্ধে কিশোর গ্যাং-সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা মনজুরুল ইসলাম (৩০) নামের আরেকজনকে আটক করা হয়। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান এসআরবি-১১-এর সিপিসি-২-এর উপপরিচালক ও কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম।
এর আগে গতকাল রোববার দুপুরে কুমিল্লা নগরের গোবিন্দপুর এলাকায় অভিযান চালায় এসআরবি। এসআরবি সূত্র জানায়, গতকাল বেলা তিনটার দিকে তাদের কাছে খবর আসে এক তরুণ কোমরে বিদেশি পিস্তল নিয়ে গোবিন্দপুর এলাকায় ঘোরাঘুরি করছেন। একপর্যায়ে একটি চায়ের দোকানে ছামির ইসলামকে দেখতে পান এসআরবির সদস্যরা। সেখানে তাঁর সঙ্গে মনজুরুল ইসলামও ছিলেন। ছামিরের শার্টের সামনের অংশ কিছুটা উঁচু করার পর প্যান্টের ভেতরে গুঁজে রাখা পিস্তলটি দেখা যায়। পরে দুজনকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়।
ছামির ইসলাম কুমিল্লা নগরের দৌলতপুর এলাকার বাসিন্দা হুমায়ুনের ছেলে। তিনি গত বছর এইচএসসি পাস করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এসআরবি সূত্রের ভাষ্য, ছামির এলাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শন করতেন। বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততার বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। আটক দুজনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এসআরবি কর্মকর্তা মেজর সাদমান ইবনে আলম বলেন, ছামির ইসলামের কাছ থেকেই মূলত অস্ত্রটি পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদে ছামির জানিয়েছেন, অস্ত্রটি তিনি মনজুরুল ইসলামের কাছ থেকে নিয়েছিলেন। তবে অস্ত্রটি কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আটক মনজুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আগে দুটি মামলা রয়েছে। ছামির ইসলামের বিরুদ্ধে কিশোর গ্যাং-সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।