‘মায়ের কাছে অভিযোগ দিলি ক্যানে’ বলেই বাটাম দিয়ে মাথায় আঘাত, প্রাণ গেল তরুণের

ইমদাদুল হকছবি: সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ছাত্রীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাটাম দিয়ে আঘাত করে এক তরুণকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আরেক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার রাতে ৯টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার গোবিন্দপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত তরুণের নাম ইমদাদুল হক (২২)। তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলার নওদা বন্ডবিল গ্রামের রেজাউল হকের ছেলে।

অভিযুক্ত নাইস খন্দকার (২০) নামের ওই তরুণকে স্থানীয় লোকজন গতকাল রাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। নাইস একই উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মজনুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্কুলগামী ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় গোবিন্দপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি চায়ের দোকানে ইমদাদুলের সঙ্গে নাইসের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে নাইসের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মায়ের কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেন ইমদাদুল। অভিযোগ দিয়ে ফেরার পথে নাইস ‘মায়ের কাছে অভিযোগ দিলি ক্যানে’ বলে ক্ষিপ্ত হয়ে কাঠের বাটাম দিয়ে ইমদাদুলের মাথায় আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। নাইস সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যান।

এ ঘটনার পর নাইস এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়া চেষ্টা করছিলেন। পরে আলমডাঙ্গা শহরের লালব্রিজ এলাকায় স্থানীয় কয়েকজন যুবক তাঁকে আটক করেন। একপর্যায়ে তাঁকে পিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

স্থানীয় লোকজন আহত ইমদাদুলকে প্রথমে একটি স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

এদিকে ঘটনার পর নাইস এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়া চেষ্টা করছিলেন। পরে আলমডাঙ্গা শহরের লালব্রিজ এলাকায় স্থানীয় কয়েকজন যুবক তাঁকে আটক করেন। একপর্যায়ে তাঁকে পিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে ইমদাদুলের বাবা রেজাউল হক বাদী হয়ে মামলা করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিকাশ চন্দ্র সরকার বলেন, এ মামলায় নাইসকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।