লিখিত বক্তব্যে বখতিয়ার আহমেদ বলেন, কেন্দ্রঘোষিত গত তিনটি বিভাগীয় গণসমাবেশে সরকার বাধা দিয়েও জনস্রোতকে আটকাতে পারেনি। গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে রংপুরের গণসমাবেশে বাধা প্রদান করা থেকে বিরত থাকলে সরকার শুভবুদ্ধির পরিচয় দেবে। গণসমাবেশকে সফল করতে প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

বাধা আসবে ধরে নিয়েই তাঁরা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। প্রয়োজনে ভ্যান-রিকশা-ইজিবাইকে, এমনকি হেঁটে হলেও গণসমাবেশে উপস্থিত হবেন।

বখতিয়ার আহমেদ বলেন, বাস, ট্রাক, ইজিবাইক, নছিমন ছাড়াও পাঁচ হাজার মোটরসাইকেলে রংপুরের গণসমাবেশে উপস্থিত হবেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। সব মিলিয়ে দিনাজপুর থেকে প্রায় ৬০ হাজার নেতা-কর্মী রংপুরের গণসমাবেশে যোগ দেবেন। ইতিমধ্যে জেলার ২২টি ইউনিটের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পৃথক পৃথক প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে।

দলের নেতা-কর্মীরা জানান, দীর্ঘ এক যুগ পর চলতি বছরের মে মাসে দিনাজপুর জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে মোফাজ্জল হোসেনকে সভাপতি ও বখতিয়ার আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করে আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। গণসমাবেশে যোগ দিয়ে মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি দিনাজপুরের ছয়টি সংসদীয় আসনে নিজেদের শক্তির জানান দিতে চান নেতা-কর্মীরা।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে জেলার সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন বলেন, বর্তমান সরকারের ফ্যাসিবাদী আচরণে সাধারণ মানুষ জেগে উঠেছে। চট্টগ্রাম, খুলনা ও ময়মনসিংহের গণসমাবেশে যানবাহন বন্ধ করে দিয়েও জনস্রোতকে রুখতে পারেনি। তিনি আশা রাখছেন, রংপুরের গণসমাবেশও সফল হবে। দলের চেয়ারপারসনের স্মৃতিবিজড়িত দিনাজপুর জেলা বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা উন্মুখ হয়ে আছেন। ইতিমধ্যে পরিবহন বন্ধ না রাখার বিষয়ে পরিবহননেতারাও তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন। তবে বাধা আসবে ধরে নিয়েই তাঁরা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। প্রয়োজনে ভ্যান-রিকশা-ইজিবাইকে, এমনকি হেঁটে হলেও গণসমাবেশে উপস্থিত হবেন। ইতিমধ্যে নেতা-কর্মী সমর্থকদের অনেকেই রংপুরে যেতে শুরু করেছেন।