নাইক্ষ্যংছড়ির সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আবছার বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের মাধ্যমে বিজিবি জানতে পারে, চোরাকারবারিরা সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে গরু নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে ভালুকখাইয়া সীমান্তচৌকি থেকে দুর্গম বামহাতির ঝিরির আগা এলাকায় অভিযানে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পরই বিজিবি সদস্যরা বন্য হাতির দলের আক্রমণের মুখে পড়েন। এ সময় আবদুল মান্নানকে একটি হাতি ধরে ফেলে। হাতিটি তাঁকে পা দিয়ে আঘাত করে এবং পরে আছড়ে হত্যা করে।

এ সময় বিজিবি সদস্যরা পালিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন। তবে তৌহিদুল ইসলাম নামের এক সৈনিক এ সময় আহত হয়েছেন। পরে বিজিবি ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবদুল মান্নানের লাশ উদ্ধার করে।

বিজিবির সঙ্গে রাতে উদ্ধার কাজে যাওয়া এসআই ফকরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে আবদুল মান্নানের লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনা জানার পর বিজিবির কক্সবাজার সেক্টরের অধিনায়কসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে বিজিবি নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, বিজিবির নায়েব সুবেদার আবদুল মান্নান হাতির আক্রমণে মারা গেছেন। হাতিকে গুলি করার কোনো বিধান নেই। তিনি সেই বিধান মেনেই মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন।