প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে আজ বেলা ১১টার দিকে উপজেলা সদর বাজারে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে বিএনপি। বিএনপির সমাবেশের আধা ঘণ্টা পর পাল্টা বিক্ষোভ মিছিল করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। বিক্ষোভ মিছিল থেকে বিএনপির দলীয় কার্যালয় ও নেতা-কর্মীদের দোকান ভাঙচুর করা হয়। দুই দলের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ মিছিল দেখে আতঙ্কিত হয়ে বাজারের অধিকাংশ দোকান বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা।

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. এনামুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ সমাবেশের আধা ঘণ্টা পরে আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের কার্যালয়ে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এ সময় আমাদের কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন। তারা সকাল থেকে লাঠিসোঁটা নিয়ে ২০ থেকে ২৫টি মোটরসাইকেল “জয় বাংলা” স্লোগান দিয়ে পুরো মানিকছড়িতে মহড়া দেয়।’

বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সভাপতির মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিয়েও বন্ধ পাওয়া যায়। তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য মো. মাঈন উদ্দীন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আওয়ামী লীগের কোনো কর্মী তাদের কার্যালয়ে হামলা করেনি। বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।

মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহনুর আলম বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত আছে। এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন