রায়ের পর মামলার বাদী নিহত তরুণীর ভাই বলেন, ‘১৪ বছর পর আমার বোনকে হত্যার রায় হয়েছে। এ রায়ে আমরা খুশি। এ রায় যেন উচ্চ আদালতে বহাল থাকে এবং দ্রুত কার্যকর করা হয়, সে দাবি জানাই।’

মাদারীপুর আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) সিদ্দিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আসামি শহীদুল মোল্লা প্রতারণার মাধ্যমে ভুক্তভোগী তরুণীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েও বিয়ে করেনি। পরে ওই তরুণীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে পেরেছি, শহীদুল মোল্লা তার প্রেমিকাকে হত্যা করেছে। আদালতের এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।’

আসামিপক্ষের আইনজীবী রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব। আশা করছি, উচ্চ আদালত থেকে অভিযুক্ত আসামি শহীদুল মোল্লা খালাস পাবেন।’

আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. শাহজাহান প্রথম আলোকে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি প্রায় সাড়ে ১১ বছর পলাতক ছিলেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের পর বিচারিক কাজ শুরু হয়। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।