গত ২২ জুলাই এ ঘটনা নিয়ে প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে ‘শিশু সিজানকে বাঁচাতে বাবা-মায়ের আকুতি’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘বেনিফিটস ফর উম্মা’ নামের এই প্রতিষ্ঠানটি তাকে সহায়তা করার সিদ্ধান্ত নেয়।

অসুস্থ সিজানের বাবা শামসুদ্দিন আহমেদ জানান, প্রথম আলোতে তাঁর শিশুর অসুস্থতা নিয়ে লেখার পর গত রোববার আমেরিকাভিত্তিক ‘বেনিফিটস ফর উম্মা’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান মুঠোফোনে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সিজানের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং কি পরিমাণ অর্থ চিকিৎসায় লাগবে, তা জানতে চান। সেই আলোচনার পর আজ সকাল নয়টায় সাজ্জাদ হুসাইন তাঁর বাড়িতে আসেন। তিনি সিজানের চিকিৎসা খরচ বাবদ তিন লাখ টাকার একটি চেক তাঁর কাছে হস্তান্তর করেন। এ সময় সাংবাদিক মুক্তার হোসেন, শহিদুল ইসলাম ও হাতিয়ান্দহ গণগ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবদুল মতিন উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে প্রথম আলোর নাটোর প্রতিনিধিকে একটি ধন্যবাদপত্র হস্তান্তর করা হয়।

শামসুদ্দিন আহমেদ আরও জানান, প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া অর্থ তাঁর ছেলের চিকিৎসায় অনেকটা কাজে আসবে। তিনি ছেলেকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য খুব শিগগরি ভারতে যাবেন। তিনি দাতা প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ দেওয়ার পাশাপাশি প্রথম আলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি তাঁর ছেলের সুস্থতার জন্য সবার দোয়া চেয়েছেন।
সাজ্জাদ হুসাইন বলেন, আমরা মূলত অসহায় মানুষের শিক্ষা ও চিকিৎসাসহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করি। দাতব্য কর্মকাণ্ডটি পরিচালিত হয় আমেরিকার ভারজিনিয়া শহর থেকে। আমরা সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন যাচাই–বাছাই করে সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন