কুষ্টিয়ায় একমাত্র নারী প্রার্থী রুম্পা, রিপাবলিকান পার্টিতে যোগ দেন তিন মাস আগে

স্বামীর সঙ্গে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠানে আসেন বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী রুম্পা খাতুন। আজ রোববার দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষের সামনেছবি: প্রথম আলো

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়ার চারটি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করা ৩৩ জনের মধ্যে ২৭ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেন। আজ রোববার দুপুরে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তিনি বৈধ প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। ২৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪টি আসনেই বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।

২৭ জন প্রার্থীর মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী মোছা. রুম্পা খাতুন। তিনি কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসন থেকে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির (বিআরপি) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তাঁর বাড়ি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের পাটিকাবাড়ি গ্রামে।

আজ দুপুর ১২টার দিকে রুম্পা খাতুন তাঁর স্বামী হালিম সেককে সঙ্গে নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। মনোনয়নপত্রের বৈধতা ঘোষণা শেষে রুম্পা খাতুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি কুষ্টিয়ার মেয়ে। জনগণের সেবা করার জন্য এসেছি। ভোটের মাঠে সর্বোচ্চটুকু দিয়ে মোকাবিলা করব।’

কথা প্রসঙ্গে রুম্পা খাতুন জানান, বিআরপিতে তিনি নতুন। দুই-তিন মাস আগে যোগ দিয়েছেন। তিনি কুষ্টিয়া জেলা কমিটির সভাপতি। দল তাঁকে প্রার্থী মনোনীত করেছে এবং তাঁরও নির্বাচন করার বহুদিনের ইচ্ছা ছিল।

এর আগে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন কি না, এমন প্রশ্নে রুম্পা খাতুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওভাবে ছিলাম না। পরোক্ষভাবে ছিলাম।’ কোন দলের সঙ্গে ছিলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা বলা যাবে না।

পেশায় ব্যবসায়ী রুম্পা খাতুনের গ্রামে গার্মেন্টস ব্যবসা রয়েছে। তিনি ঢাকায়ও ব্যবসা করতেন। তাঁর পরিবারে মা-বাবা ও ভাই রয়েছেন। তিন-চার মাস ধরে রুম্পা গ্রামেই থাকেন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা এমবিএ।

যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠানে তাঁর দলের কোনো কর্মী না থাকার বিষয়ে রুম্পা খাতুন বলেন, অনুষ্ঠানের বিষয়ে কর্মীদের বলা হয়নি। ঢাকায় দলের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। আজকের যাচাই–বাছাই অনুষ্ঠানে শুধু তাঁর স্বামী সঙ্গে এসেছেন।

রুম্পা খাতুনের স্বামী হালিম সেক প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওর (রুম্পা) বহুদিনের ইচ্ছা নির্বাচন করা। জনগণ নিয়ে ভাবে, সাধারণ মানুষ নিয়ে ভাবে। এই চিন্তাধারা আমাকে কয়, তাই তাকে সাপোর্ট দেওয়া। তাকে সমর্থন দিলাম। তার যেকোনো সিদ্ধান্তে সমর্থন দিই।’