জেলে মোহাম্মদ হাসান প্রথম আলোকে বলেন, টেকনাফ পৌরসভার ট্রানজিট ঘাটের জেটিতে বসে নাফ নদীতে দুপুরে বড়শি ফেলেন তিনি। ঘণ্টাখানেক পর তিনি বড়শি টেনে তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু বড়শিটি বেশ ভারী মনে হওয়ায় আরও একজনের সহযোগিতা নেন। পরে বড়শি টেনে তুলে দেখেন, বড় একটি কোরাল মাছ আটকা পড়েছে। জেটিতে মাছটি তোলার পর স্থানীয় লোকজন সেটি দেখতে ভিড় করেন।

মাছ ব্যবসায়ী শাহ জালাল বলেন, জেলে মোহাম্মদ হাসানের কাছ থেকে ২৪ কেজি ওজনের কোরাল মাছটি ২৫ হাজার টাকায় তিনি কেনেন। পরে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে সাড়ে ৩ হাজার টাকা লাভে ২৮ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেন।

টেকনাফ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, নাফ নদীর কোরাল খুবই সুস্বাদু। কোরাল দ্রুত বর্ধনশীল মাছ। কোরাল সাধারণত ৩০ থেকে ৩৫ কেজি ওজনের হয়। কোনো কোনো সময় এর চেয়ে বেশি ওজনের কোরাল পাওয়া যায়। প্রজনন মৌসুমসহ সরকারি বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলায় নাফ নদীতে এমন বড় কোরাল পাওয়া যাচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন