গণসংলাপের আয়োজন করে বরিশাল জেলা গণসংহতি আন্দোলন। এতে সমমনা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা অংশ নিয়ে বক্তৃতা করেন।

সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘বর্তমান আন্দোলন শুধু একটি সুষ্ঠু ভোটের আন্দোলন নয়, আমরা আন্দোলন করছি জনগণের স্থায়ী ভোটাধিকারের জন্য। ভোটাধিকারের পাশাপাশি শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য লড়াইয়ে সবাইকে শামিল হতে হবে।’

১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপ্রধানের হাতে সর্বময় ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে উল্লেখ করে জোনায়েদ সাকি বলেন, বিচারপতি, নির্বাচন কমিশনসহ সব সাংবিধানিক পদে নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপ্রধান এবং বরখাস্ত করার ক্ষমতাও তিনি রাখেন। এ জন্য নিয়োগের সময় যেমন দলীয়করণ হয়, তেমনি সাংবিধানিক পদে নিয়োগপ্রাপ্তরা চাকরি হারানোর ভয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন না।

এমন সংবিধানে দেশ পরিচালনা করে সুষ্ঠু নির্বাচন, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব বলে মন্তব্য করেন জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, এ জন্য সরকার পতনের আগে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় নতুন করে যারা ক্ষমতায় আসবে, তারা একইভাবে দেশ পরিচালনা করবে।

গণসংহতি আন্দোলনের বরিশালের আহ্বায়ক দেওয়ান আবদুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মহসিন উল ইসলাম, বরিশাল সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব চিকিৎসক মিজানুর রহমান, বাসদের জেলা কমিটির সদস্যসচিব মনীষা চক্রবর্তী, গণ অধিকার পরিষদের আবু সাইদ, গণসংহতি আন্দোলনের মনির উদ্দিন, একে ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

জোনায়েদ সাকি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার তলোয়ার ও বন্দুকের কথা বলে আওয়ামী লীগ ও তার পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে জনগণকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। সিইসি ধীরে ধীরে প্রমাণ করছেন যে তিনি আওয়ামী লীগের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে ওই চেয়ারে বসেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন