আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন। তবে মোস্তফা সরদার মানসিক ভারসাম্যহীন বলে দাবি করেছেন প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু দাউদ আলী।

জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ ভোরে ঘুম থেকে উঠে নুরুনাহার ফজরের নামাজ পড়ার জন্য ঘরের বাইরে গিয়ে অজু করেন। এ সময় মোস্তফা সরদার তাঁর স্ত্রীকে বকাঝকা শুরু করেন। একপর্যায়ে মোস্তফা সরদার ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো দা দিয়ে নুরুন্নাহারকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান।

ইউপি চেয়ারম্যান আবু দাউদ আলী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গোলাম মোস্তফা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।

এ জন্য তিনি চিকিৎসা নিতেন এবং প্রতি মাসে তাঁকে ইনজেকশন দেওয়া লাগত। তবে অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে মাসখানেক ধরে গোলাম মোস্তফার চিকিৎসা বন্ধ ছিল। এ কারণে তিনি কয়েক দিন ধরে অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন।

ওসি মমিনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। নিহত ব্যক্তির লাশ সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন