এ ঘটনায় ওই তরুণীর বাবা আজ মঙ্গলবার বিকেলে ছয়জনকে আসামি করে দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। ওই তরুণীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিন আসামি হলেন দাউদকান্দি উপজেলার পশ্চিম হুগুলিয়া গ্রামের মো. মিরাজুল ইসলাম (১৯), মো. অপু ব্যাপারী (২৬) ও মো. মোখলেছুর রহমান (২৫)। তাঁদের মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দাউদকান্দি মডেল থানা–পুলিশ সোমবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে মুঠোফোনের সূত্র ধরে মামলার আসামি দাউদকান্দি উপজেলার পশ্চিম হুগুলিয়া গ্রামের মো. মিরাজুল ইসলাম (১৯), মো. অপু ব্যাপারী (২৬) ও মো. মোখলেছুর রহমানকে (২৫) গ্রেপ্তার করে কুমিল্লা জেলা কারাগারে প্রেরণ করে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য তৎপরতা চালাচ্ছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম হুগুলিয়া গ্রামের মো. মিরাজুল ইসলাম চাকরির কথা বলে এবং ভাড়া বাসা দেখে দেওয়ার কথা বলে সোমবার ওই তরুণীকে পশ্চিম হুগুলিয়া গ্রামে জঙ্গলের কাছে ডেকে আনেন। পরে সেখানে দীর্ঘ সময় আটকে রেখে ছয় তরুণ তাঁকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের একপর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

এ সময় ওই ছয় তরুণ তাঁকে সেখানে ফেলে চলে যান। স্থানীয় লোকজন তাঁকে সেখানে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে মডেল থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে প্রথমে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

দাউদকান্দি মডেল থানার গৌরীপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, ওই তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় হওয়া মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন