মৎস্য ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান শেখ বলেন, কেনার পর মাছটি দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুনের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। কেজিপ্রতি তিনি ৫০ টাকা করে লাভ পেলেই মাছটি বিক্রি করে দেবেন। এ জন্য তিনি ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে মুঠোফোনে যোগাযোগ করছেন।

বাগাড় একটি বিপন্ন প্রজাতির মাছ। এ ধরনের মাছ শিকারে নিরুৎসাহিত করতে ২০২২ সালের জানুয়ারিতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিলে বিপন্ন প্রাণী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। বিপন্ন প্রাণী ধরা বা কেনাবেচা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইসিএন) লাল তালিকায় আছে বাগাড় মাছ।

গোয়ালন্দ উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, ‘আমরাও জেনেছি বাগাড় বিপন্ন প্রজাতির মাছ। কিন্তু এ ধরনের মাছ শিকার বন্ধে আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের নির্দেশনা বা পরিপত্র আসেনি। যে কারণে আমরা কোনো অভিযান পরিচালনা করতে পারছি না।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন